মোঃ আলমগীর হোসেন (আসিফ)
হাইমচরে ঐতিহ্যবাহী দ্বীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাফিজুর সুন্নাহ নেছারিয়া মাদরাসার এতিম, মিসকিন ও হতদরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে লিল্লাহ ফান্ড থেকে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বইসহ শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। গ্রামীণ জনপদে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে তাফিউস সুন্নাহ নেসারিয়া মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে অদ্যাবধি এ জনপদের এতিম, মিসকিন, হতদরিদ্র ও অসহায় শিশুদের যাবতীয় ব্যয়ভার মাদ্রাসার লিল্লাহ ফান্ড থেকে বহন করা হচ্ছে।
১২ জানুয়ারি সোমবার বিকেলে প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এতিম শিশুদের মাঝে বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। এতে মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মাওলানা মোঃ জুলফিকার হাসান মুরাদ এর সভাপতিত্বে ও মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মাওলানা শরীফ মোঃ মাছুম বিল্লাহ’র সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন মাদ্রাসার শিক্ষা সচিব মাওলানা ফারুকুল ইসলাম, সাবেক প্রধান শিক্ষক মাওলানা আব্দুস সালাম সাংবাদিক আলমগীর হোসেন আসিফ প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা মোঃ জুলফিকার হাসান মুরাদ বলেন, গ্রামীণ জনপদের অসহায় হতদরিদ্র এতিম মিসকিন শিশু শিক্ষার্থীদের মানবসম্পদে রূপান্তরিত করতে তাহফিজুস সুন্নাহ নেছারিয়া মাদ্রাসায় একটি লিল্লাহ ফান্ড খোলা হয়েছে। যেখান থেকে প্রতিবছর ৩০ থেকে ৪০ জন বাচ্চার যাবতীয় পোশাক, বই ও শিক্ষা উপকরণ দেওয়া হয়। সার্বক্ষণিক শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে রেখে খাবার খরচ লিল্লাহ খান থেকে বহন করা হয়।
আমরা চাই এ অঞ্চলের অবহেলিত অভিভাবকহীন সন্তানগুলোকে পিতৃস্নেহে লালন করে মানব সম্পদে রূপান্তর করে দেশের উন্নয়নের অংশীদার বানাতে। প্রত্যেকটি শিশুকে খাঁটি নায়েবে নবী হিসেবে গড়ে তোলার জন্যই ২০২০ সালে হাফিজুস সুন্নাহ নেছারিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করা হয়।
তিনি বলেন এক ঝাঁক দক্ষ অভিজ্ঞ ও চিন্তাশীল আলেমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই মাদ্রাসা পরিচালিত হচ্ছে। তরুণ দক্ষ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মাধ্যমে এই মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থা পরিচালিত হচ্ছে। সামর্থবান অভিভাবকদের কাছ থেকে সাপোর্ট নিয়ে বিত্তবানদের সার্বিক সহযোগিতায় অবহেলিত শিশু গুলোর দায়িত্ব নিয়েছি আমরা। সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে আসলে এতিম হতদরিদ্র ও মিসকিনদের কোঠা বাড়িয়ে অর্ধ শতাধিক করা যাবে।
সভাপতির বক্তব্য শেষে এতে মিসকিন ও হতদরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বই সহ শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।
