কালিগঞ্জ ব্যুরোঃ কালিগঞ্জ উপজেলার প্রাণকেন্দ্র দিয়ে চলা নাজিমগঞ্জ ভায়া নূরনগর সড়কটি পরিণত হয়েছে পথচারীর মরণ ফাঁদে।একদিকে রাস্তাটি ছাল চামড়া উঠে যাওয়া খানাকান্দে ভরা অন্যদিকে মাথার উপরে সারি সারি বড় বড় গাছের শুকনো ডাল।শুকনো ডালের ফাঁকে ফাঁকে জড়িয়ে থাকা পল্লী বিদ্যুতের সঞ্চালন তার।সব মিলিয়ে দীর্ঘ জনবসতি এলাকার একমাত্র চলার পথ হয়ে উঠেছে মৃত্যু ফাঁদে।কালিগঞ্জ উপজেলা থেকে নাজিমগঞ্জ হয়ে নূরনগর সড়কটির দুই পাশ দিয়ে তৎকালীন সময়ে এলজিইডির অর্থায়নে রোপন করা হয় বিভিন্ন বোনজ এবং ফলোজ বৃক্ষ, গত পাঁচ ছয় বছর পূর্বে বৃক্ষগুলো এক ধরনের ছত্রাকের আক্রমণে গাছগুলো শুকিয়ে যায়। ফলে ঝড় বৃষ্টি এবং সামান্য বাতাসে শুকনো গাছ এবং গাছের ডাল গুলো রাস্তার উপর হঠাৎ বিকট শব্দে ভেঙে পড়ার কারণে, পথচারীদের এক অবর্ণনীয় দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে। রাস্তার পাশ দিয়ে পল্লী বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইন থাকায় প্রায়ই গাছের ডাল ভেঙে বিদ্যুতের তার ছিড়ে ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎবিহীন থাকতে হচ্ছে এলাকাবাসীদের। জনবসতি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা দিয়ে স্কুল টাইমে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাতায়াত করে, উপজেলা সহ মহাসড়কে ওঠার একমাত্র পথ যেখান দিয়ে দৈনিক হাজার হাজার মানুষ বাই- সাইকেল ,মোটরসাইকেল, ভ্যান, ইজিবাইক, মাইক্রো বাস এর মাধ্যমে এবং পায়ে হেঁটে যাতায়াত করে। শুক্রবার (৬-ই ফেব্রুয়ারি) জুম্মা নামাজ আদায় করে চরদহা বাইতুল আমান জামে মসজিদের মুসল্লিরা যখন বাড়ির দিকে রওনা দেয় ঠিক এই মুহূর্তে রাস্তার পাশের মৃত কড়ূই গাছের বিশাল এক ডাল ভেঙে পড়ে সামান্যর জন্য বেঁচে যায় কয়েকটি পথচারীর তরতাজা জীবন, ছিড়ে পড়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন যেটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণভাবে রাস্তার উপর পড়ে আছে।এলাকার সচেতন মহল এবং সাধারণ মানুষদের পক্ষ থেকে উপজেলা প্রশাসন, ইউনিয়ন পরিষদ এবং জেলা পরিষদে বহুবার মৌখিক এবং লিখিত আবেদন করা হয়েছে কিন্তু কোন এক অজানা কারণে, চরম ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলো অপসারণ করা হচ্ছে না। জন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে করে, এলাকার জনসাধারণের জানমাল রক্ষা করতে প্রশাসনের সুদৃষ্টি গ্রহণ করার জন্য এলাকাবাসী জোর দাবি জানিয়েছন।
ছবিঃ নাজিমগঞ্জ ভায়া নূরনগর সড়কটি সারি সারি শুকনো গাছ, ডাল পলায় পরিণত হয়েছে পথচারীর মরণ ফাঁদ।গতকাল ছনকা গ্রামে ঘটনা ঘটে।