বনমালী শিল্পকলা কেন্দ্র বা বনমালী ইন্সটিটিউট হোক সবার, যেন শিল্পের প্রতি ভালোবাসা এবং সাংস্কৃতিক সম্প্রীতি নতুন দিগন্তে পৌঁছায়। যেখানে প্রতিটি সৃষ্টি হবে স্বতন্ত্র, প্রতিটি শিল্পী বোধ করবে নিজেদের স্বকীয়তা, আর সবার কাছে পৌঁছবে তাদের আবেগ ও প্রতিভা।
এটি হয়ে উঠুক একটি মিলনস্থল, যেখানে নানা ধরণের শিল্পকলা – সঙ্গীত, নৃত্য, নাটক, চিত্রকলা – সবকিছু এক জায়গায় সমাহারিত হবে। শিক্ষার মাধ্যমে সবাই যেমন শিখবে, তেমনভাবেই বিনিময়ের মাধ্যমে গড়ে উঠবে এক নতুন সমাজ।
আমরা চাই, প্রতিটি শিক্ষার্থী এখানে এসে নিজেদের সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করুক, কল্পনার নতুন নতুন নতুন ছোঁয়া পেয়ে বের হয়ে আসুক নতুন নতুন ধারণা ও রূপে। বিপুল উদ্যমে মাতৃভূমির জন্য কিছু করার ব্রতী হয়ে উঠুক, আর সবার মাঝে যেন নিবেদিত প্রাণের মতো কাজ করে যায়।
বনমালী শিল্পকলা কেন্দ্রের মাধ্যমে যেন হাহাকার না থাকে, বরং সৃষ্টির আনন্দে উজ্জীবিত হয়ে উঠুক আমাদের সমাজ। কেননা, শিল্প শুধুমাত্র বিনোদন নয়, এটি এক গভীর অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ, যা সকলকে একত্রিত করে, ভালোবাসার বন্ধনে গেঁথে দেয়।
এমন প্রাণবন্ত কেন্দ্র এই শহরে গড়ে উঠুক, যেখানে স্বপ্ন হবে সত্যি, স্বপ্ন হবে অসীম। বনমালী ইন্সটিটিউটের স্বপ্ন যেন হয়ে ওঠে এক সুন্দর বাস্তবতা, শিল্পের আনন্দে ভরপুর সবখানে।
খালেদ হোনেন পরাগ
আহবায়ক
জাসাস, পাবনা।