পাবনা জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সাবেক এসআই (নিরস্ত্র) অসিত কুমার বসাক পেশাগত দায়িত্ব পালনে সাহসিকতা, দক্ষতা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে অপরাধ দমনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছেন। বর্তমানে তিনি জেলা গোয়েন্দা শাখা চট্টগ্রামে কর্মরত আছে। দীর্ঘদিন পাবনা জেলা গোয়েন্দা শাখায় দায়িত্ব পালনকালে অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, ডাকাতি ও চুরির মামলার আসামি গ্রেপ্তার এবং চোরাই মালামাল ও হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধারে তাঁর ভূমিকার কথা বিভিন্ন সময়ে উঠে এসেছে।
অসিত কুমার বসাকের নেতৃত্বে বিভিন্ন অভিযানে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
২০২৫ সালে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনেও তাঁর ভূমিকার অনস্বীকার্য । পাবনায় বেশ কিছু ধর্ষন, হত্যাকাণ্ডের এবং ডাকাতির ঘটনায় ডিবির এসআই হিসেবে অসিত কুমার বসাক তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্য ব্যবহার ঘটনায় সরাসরি জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ করেছেন।
চুরি ও হারানো মালামাল উদ্ধারের ক্ষেত্রেও তাঁর দায়িত্ব পালন উল্লেখযোগ্য। পাবনা ডিবির অভিযানে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধারের সুখ্যাতি রয়েছে।
মাদকবিরোধী অভিযানেও সক্রিয় ছিলেন এসআই অসিত কুমার বসাক।
এছাড়া বিভিন্ন সময়ে হারানো ও চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধারে তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। উল্লেখ্য যে ২০১৭ সালে পাবনা জেলায় বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ জেপিএম( জামসেদ উদ্দিন পুলিশ সুপার মেডেল) স্বর্নপদক লাভ করেন।
পুলিশের পেশাগত দায়িত্বের বাইরে আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা কার্যক্রমেও অসিত কুমার বসাক দায়িত্ব পালন করেছেন বলে তাঁর কর্মজীবন-সংক্রান্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে। ২০২৪ সালে শান্তিরক্ষা মিশনে শান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি শান্তি পদক লাভ করেন—এমন তথ্য তাঁর কর্মজীবনের অর্জনের তালিকায় রয়েছে।
এছাড়া ২০২১ সালে আইজিপি ব্যাজ লাভও তাঁর পেশাগত জীবনের অন্যতম স্বীকৃতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
পেশাগত কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালে তাঁর নাম পুলিশের বিশেষ পদকের তালিকাতে আসে। প্রকাশিত তালিকায় তাঁকে পাবনা জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই (নিরস্ত্র) হিসেবে উল্লেখ করা হয় এবং পরবর্তী প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় তাঁর নাম রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) সাহসিকতা বিভাগে স্থান লাভ করেন।
পুলিশের মাঠপর্যায়ে অপরাধ দমন, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং চোরাই মালামাল উদ্ধারে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে আসা অসিত কুমার বসাকের এসব অর্জন তাঁর পেশাগত দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার একটি প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।