বিশেষ প্রতিনিধি কামরুল ইসলাম
১। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনস্থ উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) সদা জাগ্রত ও অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে সীমান্ত নিরাপত্তায় বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে বাংলাদেশ–মায়ানমার সীমান্তে দায়িত্ব পালন করে আসছে। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি উখিয়া ব্যাটালিয়ন চোরাচালান, মাদকদ্রব্য পাচার, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং আন্তঃরাষ্ট্রীয় সীমান্ত অপরাধ দমনে পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে বেসামরিক পরিমণ্ডলে ভূয়সী প্রশংসা অর্জন করেছে।
২। সম্প্রতি উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় অস্ত্র পাচারের গোপন সংবাদ প্রাপ্তির পর জীম্বংখালী বিওপি’র আওতাধীন এলাকায় টহল ও নজরদারি কার্যক্রম জোরদার করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ১২ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ১২৩০ ঘটিকায় অধিনায়কের দিকনির্দেশনা ও পরিকল্পনায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জীম্বংখালী বিওপি’র নম্বর ৭৩৪৫৮ নায়েক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন-এর নেতৃত্বে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।
উক্ত অভিযানে জীম্বংখালী বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকার বিআরএম-১৬ হতে আনুমানিক ৩.৫ কিলোমিটার পশ্চিম দিকে এবং বিওপি হতে আনুমানিক ১.৫ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণ দিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জীম্বংখালী পাড়া নামক স্থান (জিআর-৩১৩৩১২, এমএস ৮৪ সি/৪) থেকে মোহাম্মদ রফিক (৩৭), পিতা—মৃত সিরাজুল ইসলাম, গ্রাম—গোদার বিল, ডাকঘর—নয়াপাড়া, থানা—টেকনাফ, জেলা—কক্সবাজারকে ০১টি পিস্তল (শর্ট গান) ও ০১টি চাকুসহ আটক করা হয়।
আটককৃত ব্যক্তিকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য দুষ্কৃতকারীদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে উখিয়া ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
৩। উদ্ধারকৃত পিস্তল (শর্ট গান) ও চাকু আলামত হিসেবে টেকনাফ মডেল থানায় জমা প্রদান করা হয়েছে এবং আসামির বিরুদ্ধে মামলার প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।
লেঃ কর্নেল মোঃ জহিরুল ইসলাম, জি
পরিচালক
অধিনায়ক
উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)
