
দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদ ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা এবং সদস্য সচিব এম এ রউফ এক যৌথ বিবৃতিতে প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধাদের ছয় দফা দাবির গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন।
বিবৃতিতে তারা বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হচ্ছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স। লক্ষ লক্ষ প্রবাসী বাংলাদেশি বিদেশের মাটিতে কঠোর পরিশ্রম করে দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছেন। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, তাদের অবদান অনুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ নিশ্চয়তা এখনো যথাযথভাবে নিশ্চিত হয়নি।
নেতৃদ্বয় বলেন, প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধাদের ছয় দফা দাবি কোনো বিলাসিতা নয়; বরং এটি তাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার একটি যৌক্তিক ও সময়োপযোগী দাবি। তারা উল্লেখ করেন, প্রবাসীদের সরাসরি রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব না থাকায় তাদের সমস্যা ও দাবি জাতীয় পর্যায়ে যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয় না।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রবাস জীবনের নানা ঝুঁকি—দুর্ঘটনা, অসুস্থতা কিংবা অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু—এসব ক্ষেত্রে প্রবাসীদের জন্য কার্যকর সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রায় অনুপস্থিত। পাশাপাশি বিদেশগমনের অতিরিক্ত ব্যয় প্রবাসীদের ওপর বড় আর্থিক চাপ সৃষ্টি করে, যা অনেককে ঋণের বোঝায় জর্জরিত করে তোলে।
নেতৃদ্বয় আরও বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে আধুনিক ও দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। একইসঙ্গে দীর্ঘদিন প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরে প্রবাসীরা আর্থিক অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হন, কারণ তাদের জন্য কার্যকর কোনো পেনশন বা দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা ব্যবস্থা নেই।
তারা দৃঢ়ভাবে বলেন, এই ছয় দফা দাবি বাস্তবায়ন করা হলে প্রবাসীদের ন্যায্য মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হবে, দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান আরও সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ হবে।
নেতৃদ্বয় সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধাদের এই দীর্ঘদিনের ন্যায্য দাবিগুলোর প্রতি সহানুভূতিশীল দৃষ্টি দিয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।
শেষে তারা বলেন,
“আমরা কারো করুণা চাই না; আমরা চাই আমাদের অধিকার এবং আমাদের শ্রমের সম্মানজনক স্বীকৃতি।”
সবিনয় নিবেদনে:
অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা
প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক
এম এ রউফ
সদস্য সচিব
দেশবন্ধু রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদ ইন্টারন্যাশনাল.
LION SHAHIDA PARVIN RATNA.
