
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় সিলেট–ঢাকা মহাসড়কে দুটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১২ থেকে ১৩ জন।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার দয়ামীর বাজারের পূর্ব পাশে সিলেট–ঢাকা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— বকুল রবিদাস (২৮), শ্যামলী পরিবহনের হেলপার। তিনি ময়না রবিদাসের ছেলে। তার বাড়ি ওসমানীনগর থানার খাপন খালপাড় এলাকায়। অপরজন এম মজিবুর রহমান (৫৪), শ্যামলী পরিবহনের ম্যানেজার। তিনি হযরত আলীর ছেলে। তার বাড়ি শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া থানার দশাই হাওলাদারকান্দি গ্রামে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সিলেটগামী শ্যামলী পরিবহন (রেজি: ঢাকা-মেট্রো-ব-১৪-৪২৮৬) এবং ঢাকাগামী এনা পরিবহন (রেজি: ঢাকা-মেট্রো-ব-১২৩৫৬০) বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুটি বাসই ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ সময় ঢাকাগামী ইউনিক পরিবহন (রেজি: ঢাকা-মেট্রো-ব-১৫-২৫৬১) বাসটির সঙ্গে শ্যামলী পরিবহনের ধাক্কা লাগলে ইউনিক বাসটিরও সামান্য ক্ষতি হয়।
দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে শ্যামলী ও এনা পরিবহনের যাত্রী ও স্টাফ রয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
খবর পেয়ে ওসমানীনগর থানা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করেন এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করতে কাজ শুরু করেন। দুর্ঘটনার কারণে কিছু সময় মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুর্শেদুল আলম ভূইয়া জানান, দুর্ঘটনার পরপরই থানা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনায় জড়িত দুটি বাস বর্তমানে হাইওয়ে পুলিশের তত্ত্বাবধানে রয়েছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
