
রাজশাহীতে প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি) আয়োজিত সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে তানোরসহ বিভিন্ন উপজেলার দীর্ঘদিনের কর্মরত ও মূলধারার সাংবাদিকদের উপেক্ষা করে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মনগড়া সাংবাদিকদের অন্তর্ভুক্ত করায় তানোরের সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে মাঠ পর্যায়ে কাজ করা, জাতীয় ও আঞ্চলিক গণমাধ্যমে নিয়মিত সংবাদ পরিবেশনকারী প্রকৃত সাংবাদিকদের বাদ দিয়ে রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত বিবেচনায় প্রশিক্ষণার্থীদের তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে—এমন অভিযোগ উঠেছে। এতে করে পেশাদার সাংবাদিকদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং সাংবাদিকতার নৈতিকতা ও মান উন্নয়নের উদ্দেশ্য প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
তানোরের সাংবাদিকরা মনে করেন, পিআইবি একটি রাষ্ট্রীয় ও দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান। এখানে প্রশিক্ষণ প্রদানের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, পেশাগত যোগ্যতা ও কর্মরত সাংবাদিকদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করা একান্ত জরুরি। কিন্তু বাস্তবে তার ব্যত্যয় ঘটেছে, যা দুঃখজনক ও হতাশাজনক।
এ ধরনের পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে সাংবাদিক সমাজে বিভাজন তৈরি করবে এবং প্রকৃত সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ সংকুচিত করবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তানোরের সাংবাদিকরা।
তানোরের সাংবাদিক সমাজ অবিলম্বে এ বিষয়ে পিআইবি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সুষ্ঠু তদন্ত, স্বচ্ছ মানদণ্ডে প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন এবং ভবিষ্যতে মূলধারার কর্মরত সাংবাদিকদের যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করার জোর দাবি জানাচ্ছে।
