
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে সিরাজগঞ্জ শহরের ইসলামিয়া সরকারি কলেজ মাঠে জেলা জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় জামায়াত আমীর বলেন, আমরা খোঁচা-খুঁচি পছন্দ করি না। আমাদের খোঁচা দিলে ভিতরে যা আছে সব কিছু প্রকাশ করে দিবো। বাক্সের মুখ খুলতে বাধ্য করবে না, আমরা আগেই বলেছি জাতিকে বিভক্ত করতে চাই না। জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে আমরা সামনে দিকে এগিয়ে যেতে চাই। যারা দেশকে বিভক্ত করে তারা কোন দিন দেশের বন্ধু হতে পারে না। তারা নিজেদের সুবিধার জন্য দেশবাসীর মাথায় কাঠাল ভেঙে খেতে চায়। আমরা ন্যায় বিচার চাই। ন্যায় বিচার যেখানে কায়েম হবে, জাতি সেখানে বিভক্ত হবে না।
সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমীর শাহিনুর আলমের সভাপতিত্বে জনসভায় জামায়াত আমীর আরো বলেন, আমরা ক্ষমতায় আসলে প্রথম নজর শিক্ষার উপর দিবো। সিরাজগঞ্জ শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। সেই অধিকার দাবী করে আদায় করতে হবে না। আপনাদের অধিকার আপনাদের ঘরে পৌছে দেওয়া হবে। এই সবগুলো কাজ করতে হলে সংস্কার প্রয়োজন। এজন্য গণভোট। এই গণভোটে হাঁ বলতে হবে। এই গণভোট হচ্ছে শরীফ ওসমান হাদির বিচার হবে।
গণভোট নিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গণভোটে হ্যাঁ মানেই ১৪ শতাধিক শহীদকে কথা দেওয়া হচ্ছে তোমাদের হত্যাকান্ডের বিচার করা হবে। গণ ভোটে হ্যাঁ মানে তোমরা যে স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে গিয়ে বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছিলে আমরা তোমাদেন ঋন পরিশোধ করবো হ্যাঁ ভোটের মধ্য দিয়ে। এই গণ ভোটের হ্যাঁ মানে বাংলাদেশে আর ফ্যাসিবাদ ফিরিয়ে আসতে দেওয়া হবে না। এই গণ ভোটের হ্যাঁ মানে অধিপত্যবাদ দালালদের বাংলার জনগণ বরদাশ করবে না। এব্যাপারে পুরোপুরি লাল কার্ড।
জনসভায় বক্তব্য রাখেন, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মওলানা রফিকুল ইসলাম খান, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, সহকারি সেক্রেটারি অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর আলী আলম, বেলকুচি উপজেলা জামায়াতের আমীর আরিফুল ইসলাম সোহেল, জেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি আব্দুল আজিজ, শহর ছাত্র শিবিরের সভাপতি শামীম রেজা প্রমুখ।
