
গাইবান্ধার সাঘাটা সরকারি বৈদু্্যতিক লাইন ও পাম্প থেকে পানি নিয়ে অ্যাম্বুলেন্স পরিষ্কার করার বাধা দেয়ায়, উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে অফিস চলাকালীন ঘটনাটি ঘটেছে। একটি ভিডিয়ো ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরে বিষয়টি জানাজানি হয় । সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল কবির ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।
উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তার মো: মনিরুজ্জামান বসনিয়া জানান, সাঘাটা উপজেলার অ্যাম্বুলেন্স মালিকরা উপজেলা চত্বর কয়েক বছর থেকে উপজেলা চত্বর দখল কেড়ে ভাড়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্স, মাইক্রোবাস ও কার গাড়ি পার্কিং করে এবং সরকারি পাম্প (মোটর) ব্যবহার করে অ্যাম্বুলেন্স, মাইক্রোবাস ও কার গাড়ি পরিকারসহ রাস্তায় পানি দেন। আমি বিগত ২ বছর থেকে সাঘাটা উপজেলায় কর্মরত আছি। প্রথম প্রথম তাদের বাধা দিলেও তারা কর্ণপাত করেন নি। নতুন সরকারের গঠনের পরে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আমাদের অফিস থেকে বৈদুতিন লাইন ব্যবহার করে পানির পাম্প দিয়ে উপজেলা চত্বরের পানি দেয়া ও ব্যক্তিগত গাড়ি পরিষ্কারের করতে থাকে। পরে আমি বাধা দিলে অ্যাম্বুলেন্স চালক আশরাফুল ও আলম মিয়া আমাকেসহ আমার অফিস সহায়কদের মারতে চরাও হয়। পরে স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে। এঘটনাটি সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল কবিরকে অবগত করা হয়েছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ, মাইক্রবাস শ্রসিক ইউনিয়নের উপজেলা শাখার সভাপতি আলম মিয়া ও অ্যাম্বুলেন্স চালক আশরাফুল কয়েকজন লোকসহ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সাঘাটা উপজেলা হিসাব রক্ষণ অফিসে প্রবেশ করে কর্মকর্তার মনিরুজ্জামান বসনিয়াকে, কুত্তার বাচ্চা, শুয়ারের বাচ্চ তোর বাপের কারেন্ট তোর চান্দে মাথা ফেটে দিবো মাথা ন্যাড়া করে আলকাতরা দিবো বলে অশ্লিল ভাষায় হত্যার হুমুক দেয় ।
সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল কবির জানান, এ ঘটনায় অ্যাম্বুলেন্স চালক আলম মিয়াকে ডেকে প্রাথমিক ভাবে উপজেলা চত্বর থেকে অ্যাম্বুলেন্স সরানোর ১ মাসের সময় দেয়া হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
