
সদর উপজেলার ১১ নং ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের ইব্রাহিমপুর মৌজায় সংসদ সদস্যের আত্মীয়ের মালিকানাধীন জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুন্সি মনসুর আহমেদ ও মুকসুদ আহমেদের পিতা মরহুম মুন্সী খলিলুর রহমান প্রায় ৩০ একর জমি ক্রয় করেন। পরবর্তীতে ওই ক্রয়কৃত ও দখলীয় জমিতে “আহমেদ ফিসারিস” ও “আহমেদ খামার” নামে প্রস্তাবিত প্রকল্পের কার্যক্রম সরকারি অনুমতি নিয়ে শুরু করা হয় এবং সেখানে সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের কার্যক্রম শুরুর পর থেকেই একটি প্রভাবশালী মহল বিভিন্নভাবে চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে খামারের কাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয় বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।
ভুক্তভোগীদের দাবি, গত ১৫ জুন নাছির শেখ ও মুক্তু তালুকদারের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল জোরপূর্বক জমিতে প্রবেশ করে দখল নেয়। এ সময় আহমেদ ফিসারিসের কেয়ারটেকার খোকন গাজীকে মারধর করে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে আহমেদ ফিসারিসের স্বত্বাধিকারী মুস্তাক আহমেদ অমিত বলেন, আমার দাদার সম্পত্তির একটি অংশে খামার প্রকল্পের কাজ শুরু করলে নাছির শেখ নামের এক ব্যক্তি ফোন করে চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় আমার কেয়ারটেকারকে মারধর করে নাছির শেখ, মুক্তু তালুকদার, হারুন গাজী, দুলু গাজী ও আরব আলী বেপারীসহ ১৫–২০ জন জমি দখল করে নেয়।
তিনি এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
