
“সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ”— চিরন্তন এই সত্যটিকে বুকে ধারণ করে প্রবাসে ও দেশে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধা পরিবার সংসদ’-এর অগ্রণী ব্যক্তিত্ব, বিশিষ্ট লেখক এম এ রউফ। তিনি নিজেকে সবার একজন সাধারণ ‘সহ-যোদ্ধা ভাই’ হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। নিজের সুদৃঢ় আদর্শ ও চেতনাকে বিশ্বাস করে তিনি সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে ভালো মানুষের সান্নিধ্যে থাকার এবং কুসঙ্গ বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন।
সম্প্রতি এক বার্তায় লেখক এম এ রউফ মানুষের জীবনে সঙ্গ বা পারিপার্শ্বিকতার গভীর প্রভাবের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “মানুষ তার পারিপার্শ্বিকতা এবং বন্ধুদের আচরণ দ্বারা খুব দ্রুত প্রভাবিত হয়। আপনি যাদের সাথে সবচেয়ে বেশি সময় কাটান, তাদের চিন্তা-ভাবনা, অভ্যাস ও আচরণ অবচেতনভাবেই আপনার মধ্যে চলে আসে।”
ভালো সঙ্গের ইতিবাচক প্রভাব
এম এ রউফ বিশ্বাস করেন, ভালো মানুষের সান্নিধ্য একজন মানুষকে সততা, নৈতিকতা ও ইতিবাচকতা শেখায়, যা তাকে সমাজে একজন উন্নত ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে। একজন প্রকৃত ভালো বন্ধু সবসময় সৎ পথে চলতে উৎসাহ দেয় এবং জীবনের সঠিক মূল্যবোধের শিক্ষা দেয়। তিনি নিজেকে একজন নিঃস্বার্থ সহ-যোদ্ধা মনে করে সবাইকে এই ইতিবাচক ও নৈতিকতার পথে চলার আহ্বান জানান।
খারাপ সঙ্গের ভয়াবহ পরিণতি
বিপরীতপক্ষে, খারাপ সঙ্গ বা অসৎ মানুষের সান্নিধ্যের কুফল সম্পর্কে সতর্ক করে তিনি বলেন, কুসঙ্গ একজন মানুষের ভেতরকার ভালো গুণগুলোকে ধীরে ধীরে নষ্ট করে দেয়। এর প্রভাবে মানুষ অবচেতনভাবেই নেতিবাচক ও ধ্বংসাত্মক পথে পরিচালিত হয়। যার চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে মানুষ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে, যা ব্যক্তিজীবন ছাড়িয়ে তার পুরো পরিবারের জন্য বড় বিপর্যয় ডেকে আনে।
রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের অধিকার রক্ষা এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে এম এ রউফ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সমাজের প্রতিটি স্তরে নৈতিকতার আলো ছড়িয়ে দিতে এবং আদর্শ সমাজ গঠনে তাঁর এই আহ্বান অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
