
রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় রোধ এবং জনকল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এক যুগান্তকারী দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করে পূর্বের ন্যায় ‘জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’ করার একটি প্রস্তাব সম্প্রতি মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠলেও, দেশের অর্থনীতি এবং জনগণের কথা চিন্তা করে তা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
বিগত ফ্যাসিষ্ট সরকারের আমলে বিপুল অর্থ ব্যয়ে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করা হয়েছিল। সম্প্রতি মন্ত্রিসভায় নাম পরিবর্তনের সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করে পূর্বের নাম পুনর্বহালের একটি জোরালো প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।
তবে প্রস্তাবটির ওপর আলোচনাকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “নামে কি আসে যায়!” তিনি উল্লেখ করেন যে, এই মুহূর্তে নাম পরিবর্তন করতে গেলে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে ২০ হাজার কোটি টাকারও বেশি অর্থ ব্যয় হবে।
জনগণের কষ্টার্জিত অর্থের সঠিক মূল্যায়নের ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন:
”অহেতুক ২০ হাজার কোটি টাকা খরচ করার কোনো মানে হয় না। তাছাড়া জনগণের এই টাকা শুধু একটা নামের পেছনে খরচ না করে, দেশের উন্নয়নে এবং জনগণের কল্যাণে খরচ করা উচিত।”
দেশের মানুষের মুখে স্বস্তির হাসি
প্রধানমন্ত্রীর এই জনবান্ধব ও দূরদর্শী সিদ্ধান্তের ফলে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশাল অপচয় থেকে রক্ষা পেল দেশ। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা আবেগ পরিহার করে জনগণের ট্যাক্সের টাকাকে দেশের উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো খাতে ব্যবহারের এই নির্দেশনা দেশের সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। দেশের সচেতন নাগরিক সমাজ মনে করছেন, এটি কেবল একটি সিদ্ধান্ত নয়, বরং জবাবদিহিতামূলক ও জনকল্যাণকামী রাষ্ট্র গঠনের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী সবাইকে দেশের অগ্রযাত্রায় শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তাঁর মূল মন্ত্র পুনর্ব্যক্ত করেন:
“করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।”
