
গণস্বাক্ষরের মাধ্যমে জনগণের কণ্ঠস্বর সংসদে—সংবিধানে নতুন ধারা সংযোজনের প্রস্তাব
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিসরে দীর্ঘদিন ধরেই একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা চোখে পড়ে—রাজনৈতিক দল ও নির্বাচনী প্রতিযোগিতার বাইরেও অসংখ্য সামাজিক, অর্থনৈতিক ও নীতিগত সমস্যা রয়ে যায়, যেগুলো জাতীয় সংসদের আলোচনায় তেমনভাবে স্থান পায় না। অথচ এই সমস্যাগুলো সরাসরি সাধারণ মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করে। এই প্রেক্ষাপটে “দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা একটি ব্যতিক্রমধর্মী প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন, যা গণতন্ত্রকে আরও অংশগ্রহণমূলক ও কার্যকর করে তুলতে পারে।
তিনি প্রস্তাব করেন, সংবিধানে এমন একটি ধারা সংযোজন করা হোক যেখানে কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সামাজিক সংগঠন বা রাজনৈতিক দল যদি নির্দিষ্টসংখ্যক মানুষের স্বাক্ষর সংগ্রহ করতে পারে, তাহলে সেই বিষয়টি বাধ্যতামূলকভাবে জাতীয় সংসদে আলোচনার জন্য গৃহীত হবে। এই প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য হচ্ছে—জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং উপেক্ষিত সমস্যাগুলোকে নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে নিয়ে আসা।
প্রস্তাব অনুযায়ী, যদি কোনো বিষয় নিয়ে কমপক্ষে ২ লক্ষ মানুষের দস্তখত সংগ্রহ করা যায়, তবে তা জাতীয় সংসদে আলোচনার জন্য উপস্থাপন করতে হবে। এই সংখ্যাটি নির্ধারণের পেছনে একটি বাস্তব যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে—বাংলাদেশের কিছু সংসদীয় আসনে (যেমন ঝালকাঠি) মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ২ লক্ষ ২৫ হাজারের মতো। অর্থাৎ, একটি ছোট আসনের সমপরিমাণ জনগণের দাবি থাকলে সেটিকে অবহেলা করার সুযোগ থাকা উচিত নয়।
এছাড়া, বৃহত্তর জনসমর্থনের ক্ষেত্রে আরও শক্তিশালী প্রস্তাব রাখা হয়েছে। যেমন—যদি ১০ লক্ষ মানুষের স্বাক্ষর সংগ্রহ করা যায় (যা গাজীপুরের মতো বড় আসনের ভোটার সংখ্যার কাছাকাছি), তাহলে বিষয়টি মন্ত্রিপরিষদ পর্যায়ে আলোচনা করে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। আর যদি কোনো উদ্যোগ ১ কোটি মানুষের সমর্থন পায়, তাহলে সেটিকে জাতীয় পর্যায়ে বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তন কিংবা সরকার পরিবর্তন সংক্রান্ত আলোচনার ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে, সেই নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর অন্তত চার ভাগের এক ভাগ ভোটারের স্বাক্ষর থাকলে সংশ্লিষ্ট পরিবর্তন বাস্তবায়নের ব্যবস্থা নিতে হবে। এতে করে স্থানীয় সমস্যার ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণের মতামতই প্রাধান্য পাবে, যা প্রকৃত অর্থে বিকেন্দ্রীকরণ ও গণতান্ত্রিক চর্চাকে শক্তিশালী করবে।
এই প্রস্তাবের পেছনে একটি দার্শনিক অবস্থানও রয়েছে—গণতন্ত্র শুধু ভোটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং প্রতিনিয়ত জনগণের মতামত, দাবি ও প্রস্তাব রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রতিফলিত হওয়া উচিত। নির্বাচন পাঁচ বছর পরপর হলেও, সমস্যাগুলো প্রতিদিন জন্ম নেয়। তাই সমস্যার সমাধানের পথও হওয়া উচিত চলমান ও উন্মুক্ত।
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যে অধ্যয়নরত কিছু শিক্ষার্থীর সঙ্গে এক আলোচনায় অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা এই ধারণা আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন। শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন করেন—আন্দোলন তো সাধারণত আইন বা সংবিধান অমান্য করেই হয়, তাহলে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন কীভাবে সম্ভব? জবাবে তিনি বলেন, যদি সংবিধানেই এমন ব্যবস্থা রাখা হয় যেখানে জনগণের নির্দিষ্টসংখ্যক স্বাক্ষরের ভিত্তিতে বিষয় সংসদে উঠবে, তাহলে রাস্তায় নামার প্রয়োজনই অনেকাংশে কমে যাবে। অর্থাৎ, আন্দোলন হবে সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই—শান্তিপূর্ণ, সংগঠিত এবং কার্যকর।
তিনি আলোচনার এক পর্যায়ে শিক্ষার মান ও বাস্তব জ্ঞানের ঘাটতির বিষয়টিও তুলে ধরেন। তিনি একজন মাস্টার্স পাস ছাত্রকে প্রশ্ন করেন—তিন লক্ষ ইংরেজিতে কত? ছাত্রটি উত্তর দেয় “৩ মিলিয়ন”। এই উদাহরণ টেনে তিনি বোঝাতে চান—আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় শুধু ডিগ্রি নয়, সঠিক জ্ঞান ও বোধের বিকাশও জরুরি।
এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশে গণতন্ত্রের একটি নতুন ধারা সূচিত হতে পারে—যেখানে জনগণ শুধু ভোটার নয়, বরং নীতিনির্ধারণের সক্রিয় অংশীদার। এতে করে রাজনৈতিক দলগুলোর বাইরেও নাগরিক সমাজ, প্রবাসী বাংলাদেশি, তরুণ প্রজন্ম এবং বিভিন্ন পেশাজীবী গোষ্ঠী তাদের মতামত সরাসরি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ফোরামে পৌঁছাতে পারবে।
সবশেষে বলা যায়, এই উদ্যোগ শুধু একটি প্রস্তাব নয়—এটি একটি দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। যেখানে ক্ষমতার কেন্দ্র থেকে জনগণের দিকে নয়, বরং জনগণের কণ্ঠস্বর থেকেই রাষ্ট্র পরিচালনার দিকনির্দেশনা আসবে। এই ধারণা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশে একটি অধিক অন্তর্ভুক্তিমূলক, জবাবদিহিমূলক এবং প্রাণবন্ত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হতে পারে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিদাতা:
“দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক
অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা
Email: desh-bondhu@hotmail.com
এম এ রউফ (Qatar)
সদস্য সচিব, কেন্দ্রীয় কমিটি
ফোন: 00974 66958035
লায়ন আঃ কাদির জিলানী
ফারুক আহমেদ চৌধুরী ইউকে
আহবায়ক
মোসাদ্দিক মিয়া মানিক ইউকে
আহ্বায়ক, যুক্তরাজ্য কমিটি
সৈয়দ খালেদ মিয়া অলিদ
যুগ্ম আহ্বায়ক, যুক্তরাজ্য কমিটি
আহবায়ক
হাকিকূল ইসলাম খোকন সিনিয়র সাংবাদিক আমেরিকা
রেজা নবী আমেরিকা
আহবায়ক
রেয়াজ আবু সাইদ ইতালি
আহবায়ক
শাহিন তালুকদার দুবাই
আহবায়ক
আরব আলী কুয়েত
হেলাল আহমেদ সৌদি আরব
মাহারাজ মিয়া দূবাই
কাজী মোকলিছ মালদ্বীপ
আবূল হোসেন সরদার অস্ট্রিয়া
শাহাজান অস্ট্রেলিয়া
কিলটন পাভেল আমেরিকা
আহবায়ক
হেলাল উদদীন কাতার
শাহাজান খান মালোয়েশিয়া
কামাল মিয়া বাহরাইন
আবূ তাহের ওমান
আবূ তাহের চৌধুরী ইউকে
লুৎফুর রহমান ইউকে
মোহাম্মদ এনাম লন্ডন
ইকবাল তালুকদার লন্ডন
নাজমা আক্তার লন্ডন
এডভোকেট তাজূল ইসলাম বাংলাদেশ
মেজর ইমরান বাংলাদেশ
রিমন হোসেন সৌদি আরব
আঃ হামিদ সৌদি আরব
শুভ মীর সৌদি আরব
মো: সজীব সৌদি আরব
মো: সাব্বির হোসেন সৌদি আরব
মো: রবিউস সানী সৌদি আরব
মো: মামুন মোল্লা সৌদি আরব
সাগর মিয়া সৌদি আরব
ইয়াসমিন আখতার বকুল বাংলাদেশ
নাজনীন রহমান রাজন মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটি
সভাপতি বাংলাদেশ
নাসরিন আক্তার সূমন রউফ
মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটি সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট
বাংলাদেশ
ইয়াসমিন আক্তার রুমন
মহিলা কেন্দ্রীয় কমিটি বাংলাদেশ সহ সভাপতি
রানিছা বাংলাদেশ সদস্য
মাহিশা বাংলাদেশ সদস্য
আলেয়া বেগম বাংলাদেশ
মীর আশরাফ আমেরিকা
জালাল উদ্দীন ফ্রান্স
ডক্টর মালেক ফরাজী ফ্রান্স
জালাল উদ্দীন ফ্রান্স
জামাল মোস্তফা সুইডেন
রহিম মিয়া স্পেন
মোহাম্মদ আজাদ রহমান সিঙ্গাপুর
রিপন মিয়া কানাডা
আক্তার মিয়া বাংলাদেশ
ইয়াসমিন আক্তার বাংলাদেশ
মোহন বাংলাদেশ
মুস্তাফিজুর রহমান রিপন বাংলাদেশ
ফোটন বাংলাদেশ সদস্য
প্রাপ্তি রহমান বাংলাদেশ
আব্দুল কাইয়ুম বাংলাদেশ
আব্দুল লতিফ বাংলাদেশ
মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ বাংলাদেশ
এডভোকেট আবেদ রাজা বাংলাদেশ
কামাল৷ মিয়া আইল্যান্ড
আরব আলী কুয়েত
জাহাঙ্গীর আলম অস্ট্রেলিয়া
সিরাজ খান পাকিস্তান
মুসলিম মিয়া ইন্ডিয়া
শাহাদাৎ হোসেন চায়না
আশরাফ মিয়া পোল্যান্ড
নাজমা আক্তার লন্ডন
কাউসার অস্ট্রেলিয়া
লাবনী আনোয়ার বাংলাদেশ
আবূল বাসার বাংলাদেশ
আব্দুল লতিফ ইউকে
ব্যারিস্টার জাহাঙ্গীর লন্ডন
এডভোকেট এনাম লন্ডন
শাহাজান মিয়া আইল্যান্ড
সিরাজ মিয়া সিঙ্গাপুর
শেখ ফরিদ অস্ট্রেলিয়া
নুরুল হুদা বাংলাদেশ
মনিরুজ্জামান বাংলাদেশ
ইসমাইল খান বাংলাদেশ
এস এম আব্দুস সাত্তার বাংলাদেশ।
লায়ন আব্দুল কাদের জিলানী বাংলাদেশ সহ সভাপতি
শামসুন্নাহার বেগম বাংলাদেশ
প্রফেসর আলহাজ্ব
ডক্টর শরিফ সাকি বাংলাদেশ
এনামূল কবির লিটূ বাংলা দেশ
মোঃ এনাম চৌধুরী খোকন লন্ডন.
কবির আহমেদ মাসূম লন্ডন
হোসেন আহমেদ ইনসাফ লন্ডন
হাবিবুর রহমান রানা লন্ডন
সাহেনা হক বাংলাদেশ কুমিল্লা
রিমন হোসেন সৌদি আরব
সেলিম রানা সৌদি আরব
আলী নবাব খান খোকন
জগলূ আহমেদ লন্ডন
মোঃ মইনুল ইসলাম ইউকে
মূজিবর রহমান মধূ ইউকে
সিরাজ ইউকে
আব্দুস সালাম রাজা ইউকে
রফিক উদ্দিন চৌধুরী ইউকে
রিমন হোসেন সৌদি আরব
