
পাবনার নবাগত পুলিশ সুপার মো. ছূফি উল্লাহর বিশেষ দিকনির্দেশনায় জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল ডাকাতি রোধে বড় সাফল্য দেখিয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) রেজিনূর রহমানের নেতৃত্বে ফরিদপুর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩ ডাকাতকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় উদ্ধার করা হয়েছে লুণ্ঠিত স্বর্ণালংকার ও ডাকাতির সরঞ্জাম।
শুক্রবার (৮ মে) বিকেল ৩টার দিকে ফরিদপুর থানা পট্টি এলাকায় এই দুঃসাহসিক অভিযান পরিচালিত হয়।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নবাগত পুলিশ সুপার জনাব মো. ছূফি উল্লাহর নির্দেশনায় অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) জনাব রেজিনূর রহমানের সরাসরি তত্ত্বাবধানে ফরিদপুর থানার অফিসার ইনচার্জসহ পুলিশের একটি বিশেষ টিম এই অভিযান চালায়। থানা পট্টি এলাকায় ডাকাতি হচ্ছে— এমন সংবাদ পাওয়ামাত্রই পুলিশ সদস্যরা অত্যন্ত ক্ষিপ্রতার সাথে ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলেন।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের পরিচয়
পুলিশের জালে ধরা পড়া তিন ডাকাতই কুমিল্লা জেলার বাসিন্দা। তারা হলেন:
১. মো. ফারুক সনি (৩৪): কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানার মানপুর গ্রামের মামান মালেক সনির ছেলে।
২. মো. ওমর ফারুক সরকার (২৫): দেবিদ্বার থানার স্থানারপুল এলাকার মৃত মতি মিয়া সরকারের ছেলে।
৩. জয়নাল চৌধুরী (৩৫): দেবিদ্বার থানার ঘিনাইয়া গ্রামের মৃত তফদল মিয়া ওরফে মোহন মিয়া চৌধুরীর ছেলে।
উদ্ধারকৃত মালামাল
অভিযান শেষে ধৃত আসামিদের তল্লাশি করে তাদের কাছ থেকে ডাকাতি হওয়া আনুমানিক আড়াই ভরি স্বর্ণালংকার ও বিপুল পরিমাণ রৌপ্য সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তাদের হেফাজত থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দেশীয় বিভিন্ন যন্ত্রপাতি জব্দ করেছে পুলিশ।
পলাতক আসামিদের সন্ধানে চিরুনি অভিযান
পুলিশ জানায়, এই চক্রের আরও বেশ কয়েকজন সদস্য কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। তাদের অবস্থান শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেফতার এবং বাকি মালামাল উদ্ধারে পুলিশের চিরুনি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) রেজিনূর রহমান জানান, নবাগত পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনায় জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। পুলিশের এই সফল অভিযানে এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
