
যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা, শোক, ত্যাগ ও ইবাদতের মধ্য দিয়ে দেশজুড়ে পবিত্র আশুরা পালিত হয়েছে। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে মহররম মাসের ১০ তারিখ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ দিনটি মহান আল্লাহর অসংখ্য অনুগ্রহের স্মারক হওয়ার পাশাপাশি কারবালার প্রান্তরে ইমাম হোসাইন (রা.) ও তাঁর সঙ্গীদের আত্মত্যাগের স্মৃতিবিজড়িত।
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনেক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি নফল রোজা পালন করেন এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে ইবাদত-বন্দেগিতে সময় অতিবাহিত করেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে দরিদ্র মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা পৃথক বাণীতে মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সম্প্রীতি ও কল্যাণ কামনা করেন। তারা আশুরার শিক্ষা থেকে ত্যাগ, ন্যায়, সত্য ও মানবতার আদর্শ ধারণ করে বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে সবাইকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
ধর্মীয় নেতারা বলেন, পবিত্র আশুরা কেবল শোকের দিন নয়, বরং অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবিচল থাকার এক অনন্য শিক্ষা। এই দিনের তাৎপর্য উপলব্ধি করে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে নৈতিকতা, সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান তারা।
