
মানুষ হিসেবে সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার জন্য অধিকার সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। নিজের ন্যায্য অধিকার চাওয়া কোনো ভুল নয় এবং এর জন্য কারো অনুমতির প্রয়োজন পড়ে না। সম্প্রতি এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন দেশ বন্ধু বাংলাদেশ রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব এবং সাবেক ইউরোপ রেমিট্যান্স যোদ্ধা এম এ রউফ।
বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, সকল মানুষ স্বাধীনভাবে সমান মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। এই অধিকারগুলো অবিচ্ছেদ্য এবং সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত। তিনি বলেন, “অধিকার চাওয়া কোনো ভিক্ষা নয়, এটি মানুষের জন্মগত পাওনা। যারা ক্ষমতার বলে অন্যের অধিকার কেড়ে নেয়, তারা ইতিহাসের পাতায় লজ্জা হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে থাকে।”
অধিকার ও ভালোবাসার মধ্যকার পার্থক্য টেনে তিনি বলেন, কাউকে ভালোবাসলেই তার ওপর সব অধিকার জন্মে যায়—এমন ধারণা ভুল। ভালোবাসা ও অধিকার এক জিনিস নয়। অধিকার ও সম্মানের জায়গা যেখানে শূন্য, সেখানে কোনো প্রত্যাশা রাখা কেবল ভুল নয়, বরং বোকামি। যেখানে অধিকার নেই, সেখানে মানুষের গুরুত্ব বা সম্মানও থাকে না।
পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ওপর গুরুত্বারোপ করে এম এ রউফ আরও বলেন, “আপনার অধিকার আপনি ব্যবহার করবেন, আমি আপনার অধিকারে হস্তক্ষেপ করব না। যার যা পাওনা, তাকে তা বুঝিয়ে দেওয়া আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব।”
অনুষ্ঠানে দেশ বন্ধু বাংলাদেশ রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক এডভোকেট এ এন এম ঈসা বলেন, নিয়ম জানা কেবল সচেতনতা নয়, বরং অধিকার রক্ষার প্রথম পদক্ষেপ। যুগে যুগে বিভিন্ন জাতি তাদের অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই করেছে। তাই বর্তমান সময়ে আমাদের সবাইকে অধিকার নিয়ে আরও বেশি সচেতন হতে হবে।
উল্লেখ্য, প্রবাসীদের অধিকার রক্ষা এবং দেশ গঠনে রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের ভূমিকা সমুন্নত রাখতে এই সংগঠনটি নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।
