
আমানুল্লাহ আমান দক্ষিণ রাঘবপুরের কৃতি সন্তান। এলাকার সকল স্তরের মানুষ তাকে চিনে। হতদরিদ্রদের পাশে সবসময় তাকে দেখা যেত, নিজের সংসারের অভাব থাকলেও কাউকে বুঝতে দিত না। এলাকার প্রায় মানুষের কাছে ছিল তার গ্রহণযোগ্যতা। গভীর রাতেও যদি তাকে কেউ প্রয়োজন মনে করতো সেখানে চলে যেত আমানুল্লাহ। অভাব সবার মাঝেই আছে, আমানুল্লাহর ছিল কখনোই কারো কাছেই তার অভাবের কথা প্রয়োজনের কথা শেয়ার করত না। নিজে না খেয়ে অন্যের মুখে খাবার তুলে দিতেও দেখেছি। বন্ধু হিসেবে তাকে অনেক কাছে থেকে দেখেছি মৃত্যুর দু’ঘণ্টা আগেও আমার পাশে ছিল, আমাকে বলেছিল শরীরটা ভালো লাগছে না, আমি ওকে দ্রুত বাসায় যাওয়ার জন্য তাগিদ দিলাম এবং নিজেও বাসায় চলে গেলাম। রাতে বন্ধু দুলালের ফোন পেলাম আমানুল্লাহ আর নাই।
আজ আমানুল্লাহর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী,সেই উপলক্ষে দোয়ার মাহফিলের আয়োজন। এলাকার বয়জ্যেষ্ঠ, যুবক এবং তরুণদের উপস্থিতি প্রমাণ করে আমানুল্লাহ কেমন ছিল। দোয়া ও মিলাদ পরিচালনা করেন দক্ষিণ রাঘবপুর জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ।
সার্বিক পরিচালনা ছিলেন মোঃ হাবিবুর রহমান বাচ্চু প্রতিষ্ঠাতা আমানুল্লাহ আমান স্মৃতি সংসদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল পাবনা জেলা শাখা।সহযোগিতায় ছিলেন মোহাম্মদ আজমল হোসেন রানা সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক পৌর স্বেচ্ছাসেবক দল পাবনা। আরো সহায়তা ছিলেন মোহাম্মদ দুলাল শেখ, রাসেল, রুমেল, সবুজ, সুমনসহ অনেকই।
